• ১৭ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Recovery

কলকাতা

তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা! টাকা রাখা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত একটি দলীয় কার্যালয় থেকে এই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। টাকার উৎস নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখনই মুখ খুললেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, পরিকল্পিত ভাবে ওই টাকা সেখানে রাখা হয়েছিল। গোটা ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।বুধবার সরিষার একটি তৃণমূলের পার্টি অফিসে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে এই খবর জানান। জানা গিয়েছে, ওই পার্টি অফিসটি মগরাহাট পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক শামিম আহমেদের।টাকা উদ্ধারের ঘটনা সামনে আসতেই সমাজমাধ্যমে নিজের বক্তব্য জানান অভিষেক। তাঁর দাবি, প্রায় ছমাস আগে বিজেপির দুষ্কৃতীদের হামলায় ওই জায়গায় ভাঙচুর হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে পুলিশি তদন্তে জায়গাটিকে অপরাধস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁর অভিযোগ, সেই জায়গাতেই পরিকল্পনা করে ভুয়ো এবং জাল প্রমাণ রাখা হয়েছে।অভিষেকের বক্তব্য, এর পিছনে উদ্দেশ্য হল ন্যায়বিচারের পথে বাধা তৈরি করা এবং পুলিশি তদন্তকে প্রভাবিত করা। পাশাপাশি আইন ও প্রশাসনকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।এই ঘটনার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদেরও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা এই ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করেছেন এবং যাঁরা তাঁদের নির্দেশে কাজ করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে দায় নিতে হবে। প্রমাণ জাল করা, তদন্তে বাধা দেওয়া কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো কাজের জন্য কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অভিষেক আরও জানিয়েছেন, রাজনৈতিক মদত, সরকারি পদ কিংবা পুলিশের ক্ষমতা ব্যবহার করে কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পাবেন, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সহকারী সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই এই বিপুল পরিমাণ টাকার বিষয়ে তথ্য পান তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই সরিষার ওই পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। তার পরেই উদ্ধার হয় নগদ টাকা। তবে এই টাকার উৎস কী এবং কী কারণে এত টাকা সেখানে রাখা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত চলছে।অন্যদিকে, এই ঘটনা নিয়ে অভিষেককে নাম না করে আক্রমণ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, উদ্ধার হওয়া এই টাকা খুব বেশি কিছু নয়। হয়তো ভুল করে ওই টাকা সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, বেনামে জমি কেনার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।সব মিলিয়ে ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে কোটি টাকার বেশি নগদ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। একদিকে অভিষেকের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, অন্যদিকে শুভেন্দুর পাল্টা কটাক্ষ। উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস এবং এর পিছনে আসল ঘটনা কী, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রাতের শহরে চাঞ্চল্য, গাড়ি থেকে উদ্ধার প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা! ভোটের আগে বড় প্রশ্ন

ভোটের আগে রাতের শহরে বড়সড় চাঞ্চল্য ছড়াল। নেতাজি নগর থানা এলাকায় নাকা চেকিং চলাকালীন একটি গাড়ি থেকে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে পুলিশ এবং নজরদারি দলের যৌথ তল্লাশিতে এই বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে এবং গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে নিয়মিত নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় আলিপুর দিক থেকে একটি গাড়ি আসতে দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত আধিকারিকদের। গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে সেখান থেকে ৩৭ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার হয়।গাড়িতে থাকা আশুতোষ আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু এত বড় অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তিনি দিতে পারেননি। ফলে এই টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।ঘটনার পরেই বিষয়টি জানানো হয় আয়কর বিভাগকে। নিয়ম মেনে উদ্ধার হওয়া টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার প্রকৃত মালিককে তলব করা হবে। তিনি যদি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। অন্যথায় সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ার বাউড়িয়ায় উদ্ধার ৭১০ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার এক

হাওড়ার বাউড়িয়ায় উদ্ধার হল গাঁজা। ঘটনায় শেখ মাজেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বুধবার বিকেলে বাউড়িয়া থানার অন্তর্গত কাজিরচড়া অশ্বথতলা এলাকায় শেখ মাজেদের বাড়িতে সিআইডি এবং নারকোটিক সেলের আধিকারিকরা যৌথ অভিযান চালায়। তল্লাশিতে ৭১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। যার বাজারি মূল্য এক কোটি টাকা। তার দুটি গাড়ি এবং তিনটি মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওড়িশা থেকে গাঁজা এনে বাড়িতে রেখেছিল। হাওড়া ও তার আশপাশের জেলায় পাচার করার উদ্দেশ্য ছিল মাজেদের। তাঁর বাড়ি থেকে ৩১টি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শেখ মাজেদকে ২০২১ মাদক পাচারের অভিযোগে উলুবেরিয়া থানা গ্রেফতার করেছিল। ২০২৪ সালে নদিয়ার করিমপুরের একই অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিল সে। বিভিন্ন জায়গায় গাঁজা পাচার করত মাজেদ। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজনীতি

দলের আস্থায়ী কার্যালয় থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য, দলীয় কোন্দল দাবী দুই গোষ্ঠীর

তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের ভিতর থেকে তাজা বোম উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। পুলিশ জামালপুরের জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েত অমরপুর গ্রামের হিরু সেখের নির্মীয়মান বাড়ি থেকে ৯ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে। জোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কার্তিক ঘোষের দাবী দলীয় গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে তাদেরকে হেনস্তা করার জন্যই বোমা রাখা হয়েছে। তার অভিযোগ জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের গোষ্ঠীর লোকজনই এখানে বোম রেখেছে তাদের বদনাম করার জন্য। তারা প্রদীপ পাল ও অরবিন্দ ভট্টাচার্যের সঙ্গে দল করেন। তারা দলের পুরনো কর্মী।একই দাবী করেন জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের সদস্যা রেবা ধারা পঞ্চায়েত সদস্য গোষ্ঠ পাল। তারা বলেন, ব্লক সভাপতি মেহমুদ খানের অনুগামীরা এই ফাঁকা অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে বোম রেখেছে। এখানে বাচ্চারাও খেলে। নির্মীয়মান বাড়ি মালিক তৃণমূল কর্মী হিরু সেখ বলেন,এখানে বোম রেখে তাদের বদনাম করা হচ্ছে।বিজেপি নেতা রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম থেকেই গোষ্ঠী কোন্দল আছে। আর এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছে। নিজেদের মধ্যে বালির টাকার ভাগ নিয়ে অশান্তি করছে তৃণমূল নেতারা। তার ফল ভোগ করছে এলাকার বাসিন্দারা।রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে বলতে পারবো। তবে পুলিশ প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
বিদেশ

ওম নমঃ শিবায় ধ্বনিতে মুখরিত ইজরায়েল

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে গোটা দেশ লড়ছে। আর সেই লড়াইয়ে বিশ্বের প্রথম সারির প্রায় সব দেশই কোনও না কোনও ভাবে ভারতকে সাহায্য করছে। সাহায্য এসে পৌঁছেছে ইজরায়েল থেকেও। তবে এবার ইজরায়েল যে ভাবে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল তা মনে হয় অন্য কোনও দেশ ভেবেও দেখেনি।ইহুদিদের এই দেশ ভগবান শিবের কাছে প্রার্থনা করল ভারতের সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য। ইজরায়েলের তেল আভিভে শহরে এক প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে কয়েকশো ইজরায়েলি জড়ো হয়ে ওম নমঃ শিবায় ধ্বনিতে প্রার্থনা করেন। প্রার্থনা করেন যাতে দ্রুত ভারত করোনা মুক্ত হয়ে ওঠে। ইজারায়েলিদের এই প্রার্থনা সভার ভিডিও তেল আভিভে ভারতীয় দূতাবাসের এক আধিকারিক পবন কে পাল তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন। আর এমন একটা ভিডিও পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায়। প্রচুর নেটিজেন ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে ইজারয়েলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এ ভাবে ভারতের পাশে থাকার জন্য। পবন ভিডিওর সঙ্গে পোস্টে লিখেছেন, যখন গোটা ইজরায়েল একত্রিত হয়ে আশার আলো দেখাচ্ছে।করোনার দ্বিতীয় ঢেউটের সঙ্গে ভারত এখনও রীতিমতো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ লক্ষ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকের অবস্থা সব থেকে খারাপ। তার পরেই রয়েছে কেরল এবং উত্তরপ্রদেশ। অন্যদিকে ইজরায়েল ইতিমধ্যেই করোনা পরিস্থিতি সামলে নিয়েছে। গত মাসেই সেখানে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।

মে ০৮, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় টুইট রাজ্যপালের

এখনও হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে আহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার দিনই মমতাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। যদিও সেদিন তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। তা সত্ত্বেও স্বাভাবিক সৌজন্যবোধ থেকে সরে আসেননি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। শুক্রবার সকালে টুইট করেও মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করলেন তিনি।Enquired about well being of Honble CM. Wished @MamataOfficial speedy recovery and return to normalcy.Democracy blossoms in peace and congenial environment. West Bengal stands out for its rich culture.Time for observance of calm and decorum. Appeal all to ensure harmony. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) March 12, 2021আগের তুলনায় এদিন শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এসএসকেএম সূত্রে খবর, রাতে ভাল ঘুম হয়েছে তাঁর। চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে খোঁজখবর নেন রাজ্যপাল। তারপরই তাঁর টুইট, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছি। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। শান্ত এবং অনুকূল পরিবেশেই গণতন্ত্র বিকশিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ তাঁর সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। সবাইকে এই সময় শান্ত থাকতে হবে। সম্প্রীতি রক্ষার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। বুধবার সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রীকে এসএসকেএমে দেখতে গিয়ে প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। সেসময় হাসপাতালের সামনে উপস্থিত তৃণমূল সমর্থকরা তাঁকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক স্লোগানও তুলতে থাকেন। এমনকী, মমতাকে দেখে বেরোনোর সময় কালো পতাকাও দেখানো হয় রাজ্যপালকে। পরিস্থিতি বেশ জটিলও হয়ে উঠেছিল। বিজেপির অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে রাজ্যপালের গাড়ি উদ্দেশ্য করে জুতোও নাকি ছোঁড়া হয়। শেষপর্যন্ত অবশ্য রাজ্যপালের কনভয়কে নিরাপদে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসেন পুলিশ আধিকারিকরা।

মার্চ ১২, ২০২১
স্বাস্থ্য

রাজ্যে আরও বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১৫৫ জন। যার মধ্যে সর্বোচ্চ কলকাতায় (৫৩৯)। প্রত্যাশা মতোই তারপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সে জেলায় আক্রান্ত ৪৮৫ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়াতেও অব্যাহত সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১২৯, ১৩৬ ও ১২১ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৭৩ জন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৫০ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার গত কয়েকদিন ধরেই কমছে অ্যাকটিভ কেস। এদিনও ব্যতিক্রম হল না। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৬০ জনে। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭১৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৭ হাজার ৭০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৮১। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৩ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৩২০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৭ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৭ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৩৯ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৯৫ এবং ৫২৪ জন। এরপরই তালিকায রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৫৩, ১১৮ ও ১০০ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৪২ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩২ হাজার ৬৯৫ জন। গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬৫ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭২৯ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৪ হাজার ৩৫৩ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৬৮। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪২ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ২৭৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ৩৫৫ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ২৩ হাজার ৮২০ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি

গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত ২২৪৫ জন, বুধবার যা ছিল ২২৯৩। দৈনিক সুস্থতার হারও বেশি। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭৪৭ জন। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। সুস্থতার হার ৯৪.৫৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৪৪ জন, বুধবার যা ছিল ৪৪। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১, যার মধ্যে এই মূহুর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ১৯,৫৯৭। এ নিয়ে বাংলায় করোনার থাবায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৯২৩৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অন্যদিকে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুস্থতার হারে আশার আলো দেখাচ্ছে বাংলা। এ নিয়ে রাজ্যে করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,৪৭৩টি, যার মধ্যে ৮.০৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২। এই পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়িয়ে, আরও দ্রুত করোনা রোগীকে চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করার লক্ষ্যে পরিকাঠামোর আরও উন্নতি হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। তবে এখনও সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা। এই দুই জেলায় এখনও অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৪৬৫৮ এবং ৩৮৫৪। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে তিন জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম। এই তিন জায়গাতেই করোনা রোগী একশোর কম।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৯৩ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৪৭ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১১২। হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায় একদিনে সংক্রমিত যথাক্রমে ১১৫, ১১৮ ও ১০৫ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২০ হাজার ১৪৩। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭৬৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনাজয়ী ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৮৭৭ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৪৫ শতাংশ। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৬ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৯১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৬ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৮৯ জন। যার মধ্যে সর্বাধিক সংক্রমিতের হদিশ মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (৫২৩)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা (৫০৩)।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১২৩। গত ২৪ ঘণ্টায় আবার হাওড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৯১৮ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৬৩ জন। স্বস্তি দিয়ে বাড়ছে বাংলায় কোভিডজয়ীর সংখ্যাও। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৯৬৫ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৩৩। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৫ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৪৫ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১ হাজার ৫৬৯ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭৩৬ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৩৪জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৯৮০। এ নিয়ে বঙ্গে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৪.১৮ শতাংশ। রবিবারও রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭১০। সেই তুলনায় সোমবার সংখ্যা কমল অনেকটাই। এ নিয়ে বাংলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ২১ হাজার ৭৯৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২১, ৩৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ জন করোনার বলি হওয়ায় এ নিয়ে মৃতের সংখ্য়া দাঁড়াল ৯১০০। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার আর সুস্থ হয়েছেন রাজ্যের মোট ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩১, ৬৭১টি। এর মধ্যে ৮.১১ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান অবশ্য এখনও উদ্বেগজনকই। তুলনায় করোনাযুদ্ধে উত্তর ২৪ পরগনা ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে সেখানে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৪২৬৯। কলকাতায় করোনা পজিটিভ রোগী ৫১৫৭।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫৮০ জন। তবে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার বলি ৪৭ জন, শনিবার তা ছিল ৪৪। একই সময়ে রাজ্যে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৯৪ জন, যা দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এ নিয়ে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৯৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুদিনের তুলনায় সপ্তাহান্তে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেশ খানিকটা কম। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনায় আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৯ হাজার ২১৫ জন, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২২, ৫৭৩। শনিবারের তুলনায় অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমেছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বলি হয়েছেন ৯০৫৭। আর মোট সুস্থতার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯০ হাজার ১৬৫। আরও পড়ুন ঃ দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি করোনা সংক্রমণের শীর্ষে যথারীতি দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় এখনও অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। তুলনায় উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান কিছুটা আশা জোগাচ্ছে। এখানে এই মুহূর্তে সাড়ে চার হাজারের সামান্য বেশি মানুষ করোনা পজিটিভ। করোনাযুুদ্ধে ভাল অবস্থানে রয়েছে দুই তিন জেলা কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, ঝাড়গ্রাম। তিন জেলাতেই করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১০০র কম। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১,২১৮ টি, যার মধ্যে ৮.১২ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি

স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে ২৭১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪ জনের। তুলনায় অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯১৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনার বলি ৯০১০। করোনায় মোট আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৬ হাজার ৫০৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২৩,০৩৪। পরিসংখ্যান বলছে, এ পর্যন্ত করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ১৭১ জন। আরও পড়ুন ঃ নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা তবে সংক্রমণের শীর্ষে সেই কলকাতাই। এখানে এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৭৭১। ঠিক পিছনেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে করোনা পজিটিভ ২১৪২। সংক্রমণের গোড়া থেকেই এই দুই জায়গাই বারবার চিন্তিত করেছে বিশেষজ্ঞদের। বছরশেষেও সেই উদ্বেগ কমছে না। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে দুই জেলা কালিম্পং ও ঝাড়গ্রাম। দুই জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে একশোর কম। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,১০৭ টি, যার মধ্যে ৮.১৪ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩,৪০,১৭১টি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২,৭৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৬৭৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথমে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৬৬৪ জন। ফের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে হাওড়া। নতুন করে সেখানকার ১৫৫ শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। এছাড়া অন্যান্য প্রায় সব জেলা থেকেই এদিন হদিশ মিলেছে নতুন আক্রান্তের। ফলে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫,১৬,৫০৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা এদিন মারণ করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার ৫০ জনের। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে করোনার বলি সেখানকার ১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ২, ৮৭৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৩৫ জন কলকাতার। উত্তর ২৪ পরগনার ৭৩৯ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৪, ৮৪, ২৫৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ১৩১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩, ৪০, ১৭১ জনের। বাংলায় মোট কোভিড হাসপাতাল রয়েছে ১০২টি। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১১, ০৭, ২২৫ জন। মোট সেফ হোমের সংখ্যা ২০০টি। সেখানে রয়েছেন ৪৮৬ জন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা থাবা বসিয়েছে বাংলার ২,৮০১ জনের শরীরে। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে কলকাতার ৬২২ জন। উত্তর ২৪ পরগনার ৬১৩ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নতুন করে আক্রান্ত ১৬৭ জন। উত্তরবঙ্গের মধ্যে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির কোভিড গ্রাফ উর্ধ্বমুখী। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫, ১৩, ৭৫২। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন রাজ্যের ৪৯ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ তাঁদের মধ্যে ১৯ জন কলকাতার। ১৩ জন উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক মৃতের নিরিখে এদিন প্রথমে কলকাতা। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনার। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮,৯১৬। একদিনে করোনাকে হারিয়ে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ২, ৯৫১ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৫৬ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সুস্থতার নিরিখেও প্রথমস্থানে তিলোত্তমা। এখনও পর্যন্ত বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৪, ৮১, ৩৮৫ জন। তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ১৫২ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৬২, ৯৮, ০৪০ জনের।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে ২ হাজার ৯৪১ জনের শরীরে মিলেছে করোনা সংক্রমণ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৫৪। তবে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে ২৩,৭৫০জন। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৪ জন। মোট মৃতের সংখ্যা ৮৮২০। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯৭১। এ নিয়ে করোনার কবল থেকে সুস্থ হলেন মোট ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৪২৫ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৫৯ শতাংশ। কলকাতায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫৮৯৮। সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় হলেও উত্তর ২৪ পরগনায় কমেছে করোনা পজিটিভের সংখ্যা। এই মুহূর্তে তা ৪৯৮০। করোনাযুদ্ধে রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল অবস্থায় রয়েছে দুই জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪,২৩০টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৭, যার মধ্যে ৮.১৮ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের সোমবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২১৪ জন। সার্বিক সংক্রমণ খানিকটা কমলেও শীর্ষে সেই কলকাতাই। এখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৩ জন। ঠিক তারপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাতেও সংক্রমণ লেগেই রয়েছে। তার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৫৪ জন। তবে দৈনিক মৃতের সংখ্যা এদিন বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। যা গতকালের তুলনায় কিছুটা বেশি। রাজ্যে মোট ৮ হাজার ৭৭১ জন করোনার বলি হয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুর হারে সামান্য স্বস্তি তবে বাংলায় সকলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৩১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের তুলনায় খানিকটা বেশি। এখনও পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৭২ হাজার ৪৫৪ জন করোনা মতো ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয়েছেন। টেস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দ্রুত করোনাকে রোখাই লক্ষ্য কেন্দ্র ও রাজ্যের। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ হাজার ৪৫৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার ফলে টেস্টের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়াল ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৬টি। তার মধ্যে ৮.১৯ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুর হারে সামান্য স্বস্তি

রবিবার স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ২ হাজার ৮৪০। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাস মিলেছে ৩১৪৩ জনের শরীরে। মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১৬৭ জন। এ নিয়ে রাজ্যে করোনা থেকে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩. ৫১ শতাংশ। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৩, ৮৯৪। মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৭২৩জনের। আর সুস্থ হয়ে ফিরেছেন মোট ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ২২৩ জন। তবে সংক্রমণের শীর্ষে এদিনও কলকাতা, দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার দুই জেলায় এই মুহূর্তে করোনা পজিটিভ যথাক্রমে ৫৯৪৮ ও ৫১৫৩। আর করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে দুই জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং। দুই জায়গাতেই এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যার ১০০র বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪৪, ১৮৬ টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যার মধ্যে পজিটিভ রিপোর্ট ৮.২ শতাংশ। এনিয়ে মোট করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬০ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৬৮।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৭৫ জন। কলকাতায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৮ জন। দৈনিক সংক্রমিতের নিরিখে তার ঠিক পরেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাতেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। তার ফলে বর্তমানে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৯৭ জন। একদিনে কিছুটা হলেও কমেছে মৃতের সংখ্যা। কোভিডে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৯ জন। রাজ্যে মোট কোভিডে প্রাণ গেল ৮ হাজার ৬৭৭ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে সামান্য কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ সংক্রমিতের হার কমার পাশাপাশি বাড়ছে রাজ্যে সুস্থতার হার। ৯৩.৪৭ শতাংশ ব্যক্তি করোনাকে জয় করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাজয়ী ৩ হাজার ২০৭ জন। তার ফলে কোভিডকে হারিয়ে এতদিনে মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ৩৮৯ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬০ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৬৮ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৮.২০ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নেতানিয়াহুর গদি কি টলমল? ইজরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতাকে সমর্থন আরব দলগুলির!

ইজরায়েলের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটকে সমর্থন জানাল আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলগুলি। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে আইজেনকোটের পক্ষে ১২০ আসনের সংসদে ৬৭ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েলে সরকার গড়তে প্রয়োজন ৬১ জন সাংসদের সমর্থন। সেই হিসাব অনুযায়ী, সরকার গঠনের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন বিরোধী নেতা।বৃহস্পতিবার যৌথ তালিকা জোট জানায়, তারা দেশের রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগের কাছে আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করবে। এর আগে আর একটি আরব-নেতৃত্বাধীন দল রাআমও একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ তালিকা জোটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।যৌথ তালিকা জোটের হাতে রয়েছে ১১টি আসন। অন্য দিকে, রাআমের আসন সংখ্যা আট। দুই দল মিলিয়ে মোট ১৯ জন সাংসদ রয়েছেন। ইজরায়েলের সংসদে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলির পক্ষে এই সংখ্যা রেকর্ড বলে জানা যাচ্ছে। এই দুই দলের সমর্থন নিশ্চিত হলে আইজেনকোটের পক্ষে মোট ৬৭ জন সাংসদের সমর্থন থাকতে পারে। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে তাঁর শিবির।অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শিবিরের সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁদের হাতে রয়েছে ৫৩টি আসন। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে নেতানিয়াহুকে কত জন সাংসদ সমর্থন করবেন, সেই সংখ্যা আরও কম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর জোটের শরিক ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের একটি অংশও তাঁর পাশে নেই। ওই জোটের সাতটি আসনের মধ্যে চারটি আসন রয়েছে দেগেল হা তোরাহের হাতে। তারা জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বা আইজেনকোটকাউকেই প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করবে না। টাইমস অফ ইজরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের পুরুষদের বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা থেকে ছাড় দেওয়ার আইন পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সেই কারণেই জোটের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ইজরায়েলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য কাকে আমন্ত্রণ জানাবেন, তা ঠিক করবেন। আরব দলগুলির সমর্থনে আপাতত সেই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন গাদি আইজেনকোট। তবে শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলের ক্ষমতা কার হাতে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি নিয়োগে বড় খবর! ইন্টারভিউয়ের তালিকায় কারা, দেখে নিন নাম

এসএসসি-র গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় খবর। বৃহস্পতিবার ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩৮ হাজার প্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। কারা এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, তা কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জমা দেওয়া সংশোধিত শূন্যপদের হিসাবের ভিত্তিতে এই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম রাজ্যস্তরের বাছাই পরীক্ষা বা এসএলএসটি-র মাধ্যমে নন-টিচিং স্টাফের ক্লার্ক পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নাম এই তালিকায় রাখা হয়েছে।প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রকাশিত তালিকায় নিজেদের নাম খুঁজে নিতে পারবেন। নামের পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও মিলিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে প্রার্থীদের মূল নথি, শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি নেওয়া হবে ইন্টারভিউ। তবে নথি যাচাই এবং ইন্টারভিউয়ের দিনক্ষণ এখনও জানায়নি কমিশন। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা হয়েছে ১ মার্চ। অন্য দিকে, গ্রুপ সি পদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ৮ মার্চ। গ্রুপ সি পদে শূন্যপদের সংখ্যা ২,৯৮৯। গ্রুপ ডি পদে শূন্যপদ রয়েছে ৫,৪৮৮টি। এই দুই পদে নিয়োগের জন্যই প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আলাদা দিনে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মন্ত্রী ! কিডনি বিকল, ব্রেন স্ট্রোকের পর কী বলছেন চিকিৎসকেরা?

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। কলকাতার একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় চলছে ডায়ালিসিস। এর পাশাপাশি ব্রেন স্ট্রোক এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যাও রয়েছে তাঁর। চিকিৎসকেরা পেসমেকার বসানোর কথা ভাবলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আপাতত অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। উজ্জ্বল বিশ্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।উজ্জ্বল বিশ্বাসের অসুস্থতা নিয়ে সমাজমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার ধাক্কা তাঁর শরীর ও মনের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কুণাল। অন্য দিকে, মহুয়া মৈত্রও উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা করেছেন তিনি।গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ উজ্জ্বল বিশ্বাস। গত ৫ অক্টোবর কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের বাইপাস অস্ত্রোপচার হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরের দিনই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। প্রায় ১৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা।কিন্তু দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিন ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রাক্তন মন্ত্রী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সপ্তমীর দিন তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর নিউমোনিয়া হয়েছে বলে জানান। সেই সঙ্গে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও কমে যায়। একের পর এক শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। শ্বাস নিতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য গলায় অস্ত্রোপচার করে শ্বাস নেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিস চলছে।উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থ ভাবে কৃষ্ণনগরের মানুষের সেবা করার পরেও উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, জেল থেকে ফেরার পর থেকেই শারীরিক ভাবে ভেঙে পড়তে শুরু করেন প্রাক্তন মন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে হৃদ্যন্ত্রের অস্ত্রোপচার, ব্রেন স্ট্রোক এবং কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হন তিনি।সব মিলিয়ে উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখছেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি তাঁর। পেসমেকার বসানোর বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরে কি ফিরছে গাড়ি কারখানা? শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই বড় ইঙ্গিত শুভেন্দুর!

রাজ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার নতুন শিল্পনীতির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই নীতিতে রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে একাধিক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যুতের শুল্ক থেকে শুরু করে কর্মীদের ভবিষ্যনিধি সংক্রান্ত বিষয়েও বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়েছে সরকার। আর নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই সিঙ্গুর নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সিঙ্গুরের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে নতুন করে কিছু করার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।গত ১৫ বছর তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় বড় শিল্প আসেনি বলে বারবার অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর শিল্পের প্রসার নিয়ে নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। বাংলায় নতুন শিল্প আসুক, তৈরি হোক কর্মসংস্থানএমনটাই চাইছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যে শিল্প ফিরিয়ে আনার কথা বলে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে শিল্প দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা। কয়েকটি ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগও এসেছে। এরই মধ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। তবে সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানো নিয়ে কী ভাবছে সরকার, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিলই।সেই প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সিঙ্গুর নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সিঙ্গুর নিয়ে অবশ্যই আমরা ইতিবাচক পদক্ষেপ করব। সেই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু একটা করব। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি সিঙ্গুরে আবার গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে উঠতে পারে? যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট ঘোষণা করেননি মুখ্যমন্ত্রী।সিঙ্গুরের সঙ্গে বাংলার শিল্পায়নের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ২০০৬ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে হুগলির সিঙ্গুরে প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করে টাটা মোটরসের ন্যানো গাড়ির কারখানা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদ্যোগে বাংলায় ছোট গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন একাংশের কৃষক। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে জমি আন্দোলনের প্রতিবাদে অনশন শুরু করেন তিনি। টানা ২৬ দিন অনশনের পর তা প্রত্যাহার করেন।২০০৮ সালের অগস্ট মাসে সিঙ্গুরে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পরিস্থিতির চাপে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে টাটা মোটরস কারখানার কাজ বন্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর থেকে ন্যানো প্রকল্প সরিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রতন টাটা। পরে গুজরাতের সানন্দে তৈরি হয় ন্যানো গাড়ির কারখানা।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সিঙ্গুরের জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় তৃণমূল সরকার। তবে জমি ফেরত পাওয়ার পরেও সেখানে চাষবাস সেভাবে শুরু হয়নি। অন্য দিকে, নতুন করে শিল্পও গড়ে ওঠেনি। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গুরে শিল্প ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের দিন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য তাঁদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে সিঙ্গুরে ঠিক কী ধরনের শিল্প গড়ে উঠবে, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে ফের ভয়াবহ বিপর্যয়! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল তিনতলা বাড়ি, মৃত ২, ধ্বংসস্তূপে বহু?

দিল্লিতে ফের বাড়ি ভেঙে বড়সড় বিপর্যয়। বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি নির্মীয়মাণ তিনতলা বাড়ি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। চাওরি বাজার মেট্রো স্টেশনের কাছে গলি সিতারা এলাকায় নির্মাণকাজ চলছিল বাড়িটিতে। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তিনতলা বাড়িটি। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এখনও পর্যন্ত দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম চন্দরপাল (৬০) এবং বিজয় কুমার (৩৩)।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বাড়িটির নির্মাণকাজ চলছিল। সেই সময় পুরনো ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। তার জেরেই গোটা বাড়িটি ভেঙে পড়ে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই সব ঘটনায় প্রাণহানিও হয়েছে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন দুর্ঘটনা ঘটল রাজধানীতে। পর পর এই ধরনের ঘটনায় দিল্লির নিরাপত্তা ও নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আম আদমি পার্টি। রাজধানীতে একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের! ফর্ম ৬ জমা দিতে আর লাগবে না এই নথি

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ জমা দিতে গেলে আর দিতে হবে না এসআইআর সংক্রান্ত ডিক্লারেশন বা ঘোষণা। যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন চলছে, সেখানেও এই নিয়ম কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কমিশন। এর ফলে নতুন ভোটারদের জন্য ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হল।এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই ফর্ম ৬-এ ডিক্লারেশন জমা দেওয়ার নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশী। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আপত্তি থাকা সত্ত্বেও এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে ফর্ম ৬-কে যুক্ত করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আপত্তির বিষয়টিই গুরুত্ব পেল বলে মনে করা হচ্ছে।ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তুলতে হলে ফর্ম ৬ পূরণ করতে হয়। এত দিন এসআইআর চলাকালীন এই ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীদের একটি অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হচ্ছিল। সেই ঘোষণায় আবেদনকারীর পরিবারের পুরনো ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হচ্ছিল। বিশেষ করে আবেদনকারীর বাবা-মা, দাদু-দিদার নাম শেষ এসআইআরের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য দিতে হচ্ছিল।অনলাইনে ফর্ম ৬ পূরণ করার সময়ও এই সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছিল। ফর্মের নির্দিষ্ট অংশে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এই নিয়ম নিয়েই আপত্তি ওঠে। বিরোধীরাও প্রশ্ন তোলেন, নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে গেলে কেন এসআইআরের অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে?নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যও এই নিয়ম নিয়ে আপত্তি জানান। কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধুর বক্তব্য ছিল, আইন সংশোধন না করে ফর্মে এই ধরনের পরিবর্তন করা যায় না। সংসদের মাধ্যমে আইন সংশোধনের পরেই ফর্মে প্রয়োজনীয় বদল আনা উচিত। কিন্তু সেই আপত্তি সত্ত্বেও নিয়ম চালু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ফর্ম ৬-এর সঙ্গে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়া ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই নতুন করে ফর্ম ৬ জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার কমিশন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে, সেখানেও ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার সময় আর অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে না। অর্থাৎ, অনলাইনে ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রেও এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হল।এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার ক্ষেত্রে এত দিন যে অতিরিক্ত নিয়ম মানতে হচ্ছিল, তা আর মানতে হবে না। তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে দুই নির্বাচন কমিশনারের আগের আপত্তি এবং বিরোধীদের প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বাবরি মসজিদ নিয়ে সুর বদল হুমায়ুনের! মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন বিধায়ক?

বাবরি মসজিদ বিতর্কে আচমকাই সুর বদল নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। মুর্শিদাবাদে বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে হবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল তৈরি করেন হুমায়ুন কবীর। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে সেই দল গড়ে ভোটের ময়দানে নামেন তিনি। সেই সময়ই মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এর পর মুর্শিদাবাদে মসজিদ তৈরির কাজও শুরু হয়।গত ২ নভেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি সভায় আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সভা থেকেই আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন জাতীয় সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন হুমায়ুন। প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে তাঁকে আটকে দেখাক বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।এর পরেই বুধবার বাবরি মসজিদ বিতর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের অনেক কৃতী মানুষের নামে মসজিদ তৈরি করা যেতে পারে। কিন্তু বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও পরিকল্পনা বা অনুমোদন মিলবে না। এই বিষয়ে জেলার জেলাশাসককে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই বৃহস্পতিবার সকালে সুর নরম করেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই হবে। হুমায়ুনের এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এত দিন যে বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি, সেই অবস্থান থেকে কি তবে সরে আসছেন নওদার বিধায়ক?হুমায়ুনের মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরি হবে না। হুমায়ুনের কথারও কোনও স্থিরতা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। সজলের কটাক্ষ, কখনও এক কথা, কখনও অন্য কথা বলেন হুমায়ুন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি। তাই তাঁর কথায় গুরুত্ব দিতে চান না বলেও জানান বিজেপি বিধায়ক।বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে হুমায়ুনের এই নতুন মন্তব্যে বিতর্কে আরও একটি নতুন মোড় এল। মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির পর সত্যিই কি মসজিদের নাম বদলাবেন তিনি, নাকি ভবিষ্যতে আবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বোতলের ভিতরে মা কালী! মহাদেবের কোলে শিশুর মতো শুয়ে দেবী, বাঁকুড়ার শিল্পীর সৃষ্টি দেখে অবাক নেটপাড়া

কাচের বোতলের ভিতরে আস্ত মা কালী! তাও আবার প্রচলিত রূপে নয়। মহাদেবের বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে নেই দেবী। বরং দেবাদিদেব মহাদেবের কোলেই শিশুর মতো শুয়ে রয়েছেন তিনি। আর এমনই এক অভিনব শিল্পকর্ম তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন বাঁকুড়ার শিল্পী ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।সাধারণত কালীমূর্তিতে মহাদেবের বুকের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দেবীকে। কিন্তু সেই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্য ভাবনায় মূর্তিটি তৈরি করেছেন ইন্দ্রনীল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, গোটা মূর্তিটি তৈরি হয়েছে একটি কাচের বোতলের ভিতরে। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন রঙের সুতো। সরু তারের সাহায্যে একের পর এক সুতো বোতলের ভিতরে ঢুকিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন তিনি।কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন গানটি মা কালীর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রচলিত কালীমূর্তির সঙ্গে এই গানের ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে। তবে ইন্দ্রনীলের তৈরি মূর্তিতে ফুটে উঠেছে দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের এক অন্য দিক।এই শিল্পকর্ম তৈরির পিছনে রয়েছে শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা। ইন্দ্রনীলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অসুর বধের পর প্রচণ্ড ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন দেবী। তাঁকে শান্ত করতে মহাদেব তাঁর সামনে শুয়ে পড়েন। দেবীর পা মহাদেবের বুকে পড়তেই শান্ত হন তিনি। পৌরাণিক কাহিনির এই পরিচিত দৃশ্যের পরের অংশটিই নিজের কল্পনায় সাজিয়েছেন শিল্পী।তাঁর ভাবনায়, দেবী শান্ত হওয়ার পর মহাদেব তাঁকে নিজের কোলে তুলে নেন। ছোট্ট শিশুর মতো বুকে আগলে আদর করেন। দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের মধ্যে থাকা ভালোবাসা, স্নেহ এবং মমতার সেই ছবিই ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রচলিত চিত্রকল্পের বাইরে গিয়ে এমন ভাবনা তাঁর শিল্পকর্মকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ বছর ধরে ছবি আঁকা এবং নানা ধরনের সৃজনশীল শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বোতলের ভিতরে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করাই তাঁর বিশেষ পরিচিতি। বাংলার পরিচিত বোতলশিল্পীদের মধ্যেও তিনি অন্যতম।দীর্ঘ শিল্পীজীবনে দেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সামনে নিজের কাজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন ইন্দ্রনীল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের সাধনা, ধৈর্য এবং অভিনব ভাবনার জোরেই নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন বাঁকুড়ার এই শিল্পী।একটি ছোট্ট কাচের বোতলের ভিতরে রঙিন সুতোর সাহায্যে এমন সূক্ষ্ম কাজ সত্যিই নজর কাড়ার মতো। আর মা কালী ও মহাদেবের পরিচিত সম্পর্ককে এক নতুন ভাবনায় তুলে ধরে শিল্পী বুঝিয়ে দিয়েছেন, শিল্পের জগতে কল্পনার কোনও সীমা নেই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal